Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.
Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.

ভারতে হিন্দুত্ববাদ ততদিন থাকবে যতদিন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ইসলামিক মৌলবাদ থাকবে।। কারন পাশ্ববর্তী দেশ গুলো তে ইসলামী মৌলবাদ অনেক বেশি এরা ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র বানাতে চাইছে।। অন্যদিকে ভারত একটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ , আর ধর্ম নিরপেক্ষ তার সুযোগ নেয় সব ধর্মের মৌলবাদ ই। স্বাধীনতা থেকে আজ পর্যন্ত কংগ্রেস এবং ধর্মনিরপেক্ষ বাদীরা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে কেবল এক জাতি কে কিছুটা তোষণ আবার কিছুটা অবহেলায় ফেলে রেখেছে, তারা হিন্দুত্ববাদ এর বিরুদ্ধে অনেক বেশি সোচ্চার হলেও ইসলামী মৌলবাদ এর দিক দিয়ে বরাবর ই চুপ থেকেছে আর তার ফলেই এক মৌলবাদ আটকাতে গিয়ে আরেক মৌলবাদ মাথা চড়া দেয় , তাই জন্যেই ভারতে কোনো কোনো সময় কোনো সংঘটন থেকে ভারতে শরিয়াহ আইন এর দাবি তোলে আবার হিন্দুত্ববাদ কে সরাসরি বিরোধ করতে গিয়ে সাধারণ যারা হিন্দু যারা হিন্দু ধর্মকে অন্ধ ভাবে মানে তারা আবার সেক্যুলার ও বামপন্থী দের চক্ষুশূল হয়ে পড়েছে যার ফলে RSS এর মত মৌলিবাদী সংগঠন মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে, একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন যখন ই ভারতে ইসলামী তোষণ কিংবা ইসলামী জঙ্গিবাদ বেড়েছে তখন ই শিবসেনা rss দলের পুনরায় উত্থান হয়েছে।। এই ডান পন্থী উত্থান শুধু ভারতে নয় ইউরোপ আমেরিকায় ও উত্থান হয়েছে এতদিন ধরে এই সকল পশ্চিমা রা মানবতার নামে নিজেদের দেশে ইসলামী মৌলবাদ কে বৃদ্ধি করে ফেলেছে যার ফলে এই সকল মানুষ বুঝতে পেরে তারাও এখন ডানপন্থী সরকারের দিকে ঝুঁকছে। এইগুলো কিন্ত একদিনে হয়নি।। এইগুলা আসলে সেক্যুলার ও ব্যাম্পন্থার এক প্রকার তোষণ ও অতিরিক্ত উদার্নীতির কারণে হয়েছে, 47 এ যখন ভারত পাকিস্তান ভাগ হয়েছিল তখন কলকাতা কে ভাগ পাকিস্তানের দখলে নেওয়ার জন্য এই অঞ্চলের মুসলিম রা হিন্দু দের নির্বিচারে হত্যা ধর্ষন চালিয়েছিল আর এই হত্যা কে ঠেকানোর জন্য গোপাল পাঠা নামক এক হিন্দু কসাই এর উদ্ভব হয়, সে ও তার দল একই ভাবে মুসলিম দের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ , লুটপাট করা শুরু করেছিল এবং কলকাতা কে পাকিস্তানের হাত থেকে বাঁচিয়ে ছিল, না হলে আজ হয়ত কলকাতা বাংলাদেশ এর হয়ে থাকত।। তবে তাই বলে গোপাল পাঠা কে hero বলতে পারিনা আবার পুরোপুরি ঘৃণা ও করতে পারিনা কারন এদের উদ্ভব সেই সময়ের পরিস্থিতির উপর। তাই ভারতে পূর্ন সেক্যুলার আনতে গেলে সমস্ত ধর্ম কে তার ধর্মীয় উপাসনা লয়ে বন্দি রেখে সকল মানুষকে সমান ভাবে উন্নতি করতে হবে, আর পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র গুলির দিকেও নজর রাখতে হইবে যে তারা যেন ভারতে ঢুকে নাশকতা না করতে পারে। উপরন্ত পাশের দেশ গুলি থেকেও ধর্ম কে ধর্মীয় উপাসনালয়ে আটকে রাখতে হবে। নাহলে ভারতেও হিন্দুত্ববাদ পর্যক্রমে আসতে থাকবে, যে বা যারা মনে করে ভারতে হিন্দুত্ববাদ কে ঠেকালেই সব সমস্যা মিটবে তাদের বলে রাখি আপনার বাড়ির বাম পাশে আর ডান পাশে যদি আগুন লাগে তাহলে সেই দুইপাশের আগুন তোমার বাড়িকেও পুড়িয়ে দেবে । ভারতের সেক্যুলারিজম নির্ভর করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এর সেক্যুলারিজম এর উপর। সমস্ত ধর্মের নিপাত চাই, মুসলিমএর বাচ্চা হিন্দুর বাচ্চা এমনকি ধর্মে অবিশ্বাসী র বাচ্চা ও যেন ভরা পেটেই রাতে ঘুমোতে পারে।

প্রাচীন কালে ঋষি মুনিষীরা কলিযুগের যে ভবিষ্যৎ বাণী করে গেছে। তা বর্তমানে কত টা মিল আছে।। এটা দেখার আগে একটু জেনে নি কলির জন্ম কিভাবে হবে ।
কলির জন্ম===প্রলয় কাল অবসান হলে ব্রহ্মার পিঠ থেকে ভয়ানক কৃষ্ণ বর্ন পাতকের সৃষ্টি হল। সেই পাতক এর নাম অধর্ম হল।। অধর্মের প্রণয়ীর নাম মিথ্যা , তার সাথে মিলনে একটি পুত্র জন্ম হল যার নাম দম্ভ , দম্ভের ভাগ্নির নাম মায়া। দম্ভ হতে মায়ার গর্ভে জন্ম নেয় দুই সন্তান পুত্রের নাম লোভ আর কন্যার নাম নিকৃতি,
লোভ আর নিকৃতির মিলনে জন্ম হল ক্রোধ, ক্রোধের ভাগ্নির নাম হল হিংসা। এই হিংসা ও ক্রোধের সহবাসে যে সন্তান জন্ম নিলো তার নাম কল্কি।
এবার বলি কলি যুগ কেমন হবে
1 ধর্ম নিন্দকের জন্ম হবে, মনে তারা ধর্ম গ্রন্থ গুলোর নিন্দা করবে
2 বেদ ও ধর্মশাস্ত্র গুলো কে ধ্বংস করতে যত্নবান হবে।
3 রোগ ব্যাধি গ্লানি দুঃখ শোক ভয় ইত্যাদি থাকবে।
4 মনুষ্য ক্ষণিক ও কামুক হবে।
5 দুরাচার হবে ,দম্ভ থাকবে , মা বাবার প্রতি হিংসা পরায়ন হবে।
ব্রাহ্মণ রা বেদ এর নিয়ম উলঙন করে শুদ্রের সেবা করবে।
6 সর্বদা কুতর্ক করতে থাকবে।
7 অধমেরা ধর্ম বিক্রি করবেব
8 পাপ কাজে লিপ্ত থাকবে সর্বদা
9 এদের পরমায়ু হবে ষোড়শ বৎসরন
10 সর্বদা বিবাদ কলহ লেগেই থাকবেম
11 এই কালে যাদের ধন সম্পত্তি ও পয়সা থাকবে তাদেরই কুলীন বলে গণ্য করা হবে।
12 যে সকল ব্রহ্মণ টাকার সুদ নিয়ে জীবিককে নির্বাহ করবে তাদের কেই সকলে পুজো করব
13 এই কালে সন্ন্যাসীরা ঘরেই বাস করবে
14 এরা ধর্ম গুরু ও সাধুদের নিন্দা করবে।
15 এই যুগে বর আর কন্যার কেবল পরস্পর সম্মতিতেই বিয়ে হবে
16 সকলে শঠ ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক ও প্রতিদান দেবে।
17 অক্ষম (অকর্মের ঢেকি) ব্যক্তির প্রতি বিরাগ প্রকাশে যত্নবান হবে।
18 এই কালে সবাই নিজেকে পন্ডিত ভাববে
19 যশ লাভের জন্য ধর্ম সেবা করবে।
20 তারাই সৎ হবে যারা জনগনের কাছে লোক পরিচিত থাকবে,
21 গলায় ধর্মের চিহ্ন থাকলেই ব্রহ্মণ হবে।
22 হাতে অস্ত্র নিলেই পরিব্রাজক ।
23 ব্রাহ্মণ রা চন্ডাল (অত্যন্ত নিন্ম শ্রেণী) এর ও যাজক হবে
24 স্ত্রী লোক বিধবা হবে না। তারা সেচ্ছাচারিনি হবে।
25 মেঘ থেকে অসময় বৃষ্টি হবে
26 সরকার প্রজার উপর অত্যাচার করবে
27 হতভাগ্য প্রজারা কাঁধে বোঝা ও সন্তান দের নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পাহাড় পর্বত কিংবা জঙ্গলে বাসস্থান করবে। মাংস ফল মূল খাবে আর কৃষ্ণের নিন্দা করবে।
এবার বিচার করে দেখেন এইগুলোর মধ্যে কত টা মিল রয়েছে??

নমস্কার , হামি বাঙালি বোলতা হেয়, হ্যাঁ আমরা বাঙালি , আমরা শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি তে অনেক উন্নত।। আমাদের নেতাজি রবীন্দ্রনাথ নজরুল সবাই রয়েছে।। 47 এ বাংলা ভাগ হয়ে আমরা পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছি।। পেয়েছি কলকাতা কে।। কিন্তু এই বাংলার কলকাতায় একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে , সেটা হল বাংলায় অবাঙালি দের আগমন ,এরা এসে বাংলা টাকে গুটখা আর পানের পিকে ভরিয়ে দিয়েছে আর কলকাতায় এখন বাংলা বদলে হিন্দি প্রচলন করে দিয়েছে এমনকি বাংলার অর্থনৈতিক ও রাজনীতি তেও এরা প্রবেশ করেছে ।
কিন্তু wait,,,, আচ্ছা বাঙালিরা কি পান বিড়ির দোকান খোলে ?? ধুর ওই সব পান বিড়ি সব ছোটলকি ব্যবসা , আচ্ছা কচুরি সিঙ্গারা দোকান খোলে, ওরে বাবা ওটা তো খেতেই ভালো লাগে, আর তাছাড়া তেল ময়দা কে ঘাটবে, ওটা রবিবার সকালের breakfast ?? আচ্ছা মন্টু দা কলকাতায় বড় বড় বাবুদের ড্রাইভার কারা যেন? ঐতো মাওরা গুলো।। আর ট্যাক্সি আলা, ওই গুলো তো বিহারের মাল গুলো , ও আচ্ছা।। আমার পাড়ায় সকাল সকাল দুধ দিয়ে যায় ওরা কে জানো মন্টু দা।। মন্টু দা– কে রে, ওরা ইউপি বিহারীর লোক।। শুনে মন্টু দা হেসে বললো হ্যাঁ ওই স্টেশন এর কুলি গুলো তো অবাঙালি,রবিবার ছুটির দিন চুল কাটতে গেলেও একজন অবাঙালি থাকে, আমি শুনে বললাম ধুর এরা তো সব ছোটখাটো নিম্ন মানে কাজ গুলো করে।। কিন্তু দাঁড়ান।। ওই যে মারওয়ারী গুলো আছে ওরা নাকি সোনা গয়নার কিসব ব্যবসা করে।। আচ্ছা প্রমোটিং বেবসা গুলো এই যে রাতারাতি বাড়ি দালান উঠছে শপিং মল হচ্ছে এইগুলোর মালিক এরাও বেশিরভাগ অবাঙালি মারওয়ারী, , আচ্ছা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তে ও তো দেখছি অবাঙালি প্রোডিউসার যেমন ভেঙ্কটেশ ফিল্ম, আজকাল দেখছি চাকরির বাজার গুলোতে ও অবাঙালি বেশি।। সালা ব্যাংক গুলোতে ও আজকাল অবাঙালি রাই বসে, অর্থাৎ একটা সিদ্ধান্ত আসা গেল যে বাঙালির অর্থনীতিতে এখন অবাঙালীরাই জায়গা করে নিয়েছে,ছোট থেকে বড় সব পেশা তেই এখন অবাঙালি দের রাজ ই বেশি । কিন্তু কেন এমন হল? এর কারন কি ? আসুন এই কারন গুলো নিচে আলোচনা করি,
ক – প্রথমত এই যে যারা ছাতুয়ালা, ট্যাক্সিয়ালা, ড্রাইভার, পান বালা এরা বাংলায় থেকে এদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা শিখিয়ে এখানে এনে
বিভিন্ন চাকরি তে প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় বসাচ্ছে
খ এদের মধ্যে অনেকে আবার এই ব্যবসার মধ্যেই লাগিয়ে দিচ্ছে যার ফলে এদের জায়গা তে কেউ আর নতুন করে জায়গা করতে পারছে না।
গ এদের মধ্যে আবার অনেক এখানকার বাবুদের পায়ে তেল লাগিয়ে কিংবা তাদের পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রভাবিত করে এদের ছেলে মেয়েদের বড় বড় কাজের পদে নিয়োগ করে দিচ্ছে আর আমরা সেখান থেকে বঞ্চিত হয়ে যাচ্ছি।
ঘ আরেকটা যারা বিত্তশালী অবাঙালি আছে , তারা বাংলায় দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে এখানে অঢেল টাকা ঢেলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করছে।
এই তো গেল এদের কথা , এবার নিজেদের কারন গুলো আলোচনা করি।।
ক এইযে ছাতুয়ালা ট্যাক্সি ওয়ালা, পানওয়ালা যে পেশা রয়েছে এইগুলো বাঙালিরা কেন করে না। তাদের তো কেউ বারণ করে নি, নাকি পান বেচলে মান যাবে।। আচ্ছা কচুরির দোকান সিঙ্গারা দোকান এইগুলো ও তো করতে পারে ! নাকি খালি মমতা দির কথায় চপ ভাজবে,
খ। আচ্ছা আমরা বাঙালিরা পরনিন্দা পরচর্চা, লোকের পিছনে কাঠি করতে পারি।। কিন্তু লোকের পেছনে তেল মাখাতে কেন পারিনা! ও আচ্ছা আমরা তো বাঙালি।। আমরা উঁচু দরের একটু।। আর তাই এই জন্য অবাঙালি রা ফরচুন তেলে ভেজে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে নিয়েছে।
গ আচ্ছা আমরা বাঙালিরা খালি চাকরির আশায় থাকি কেন? ব্যবসা করতে তো পারি।। ব্যবসা করতে ভয় কিসের।। ও আচ্ছা চাকরি তো বিনা ইনভেস্ট এ প্রফিট আর bussiness তো আগে টাকা ঢালো তারপর লাভ। আসলে বাঙালিরা ভীতু।। কিন্তু অবাঙালি রা এতটা ভীতু নয় কারন তারা জানা risk is life , আর এর ফলে বাঙালির আর বিত্তশালী হয়ে ওঠা হয়না,
ঘ ব্রিটিশ রা একদা বাঙালি সমাজ কে শিক্ষিত করেছিল তাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য যাতে তাদের অফিসে চাকরের মত খাটতে পারে, আর আমাদের বাঙালি সমাজ সেই ধারাই অব্যাহত রেখেছে , তফাৎ শুধু একটাই ,তখন ছিল ব্রিটিশ আর এখন অবাঙালি কোম্পানি। এমনকি আমরা রোজ বাসে ট্রেনে বাদুড় ঝোলা অবস্থায় আসি এইসকল ac গাড়িতে আসা অবাঙালি মালিকের কোম্পানির চাকর গিরি করার জন্য।
আসলে আমরা বাঙালিরা কখন নিজেদের ভুল কখন দেখেনা সবসময় অন্যের ভুল টাই দেখে আসে।। এই যে অবাঙালি রা বাংলার ছোট অর্থনীতি থেকে শুরু করে বড় অর্থনীতি পর্যন্ত অধিকার করে ফেলেছে এইগুলো সব আমাদের ই ব্যর্থতা কারন আমরা নিজেদের ঐতিহ্য গুন গাইতে গিয়ে সব হারিয়েছি।
এখন আমরা যতই কান্নাকাটি করি হয় হায় করি অবাঙালি খেদাও বলে আওয়াজ তুলে ও কোনো লাভ হবে না কারন বাঙালির অর্থনীতি তে এখন অবাঙালি রা জাঁকিয়ে বসে আছে।, বাঙালির মেরুদন্ড এখন অবাঙালি রাই। এইগুলো একদিনে হয়নি বহু দিন ধরে তিলে তিলে হয়ে এসেছে , আর এইসব গুলোতে অবাঙালি রা শুধু কিন্তু তেল মাখিয়ে হয়নি। তারা রীতি মত নিজেকে সেই জায়গায় যোগ্য করেছে , পরিশ্রম করেছে বহুকাল , তারা নিজের যোগ্যতার উপর ভিত্তি করেই গড়ে
তুলেছে বাংলায় অবাঙালি সাম্রাজ্যবাদ। আমাদের ব্যর্থতা আমাদের গাফিলতি আমাদের উচ্চ আকাঙ্খার ফলে আমরা বাংলায় কর্মহীন হয়ে পড়েছি। তাই বাংলায় বাঙালিদের অধিকার রক্ষা করতে গেলে আগে আমাদের জুতো সেলাই থেকে চন্ডীপাঠ ও করতে হবে, বাঙালি জাতির উন্নতিতে বাঙালি কেই এগিয়ে আসতে হবে। নাহলে ভবিষ্যতে এই কলকাতা কালকাত্তা হয়ে যাবে,

ভারতের সরকার আমাদের সংবিধান এ নাগরিক দের জন্য কিছু মৌলিক দায়িত্ব গুলো দিয়েছে গেছে।। এই মৌলিক দ্বায়িত্ব গুলো কি কি তা ভারতের 98 শতাংশের মনে হয় জানা নেই আসুন আমরা জেনে নি কি কি সেই মৌলিক দায়িত্ব গুলো ।
1■◆ সংবিধান কে মানতে হবে, সংবিধান আদর্শ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত কে মান্য দিতে হবে।
2■◆ যেকল মহান আদর্শ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে উদ্ভূত করেছিল সেগুলি কে পোষন এবং অনুসরণ করতে হবে।
3■◆ ভারতের সার্বভৌমত্ব , ঐক্য সংহতি কে সমর্থন ও সংরক্ষণ করতে হবে।
4■◆ দেশ রক্ষা ও জাতীয় সেবাকার্যে আত্মনিয়োগ এর জন্য আহত হলে সারা দিতে হবে।
5■◆ ধর্মগত, ভাষাগত, অঞ্চলগত , শ্রেণী গত উর্ধে উঠে সকল ভারতবাসীকে ভাতৃত্ব বোধ কে সম্প্রসারিত করতে হবে, নারিজাতির মর্যাদা হীনকর সকল প্রথা কে পরিহার করতে হবে।
6■◆ আমাদের দেশের মিশ্র সংস্কৃতির গৌরবময় ঐতিহ্য কে মূল্য প্রদান করতে হবে।
7■◆ বনভূমি ,হ্রদ ,নদী, বন্য প্রাণীসহ প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ ও উন্নতি এবং জীব জন্তুর প্রতি মমত্ববোধ প্রকাশ করতে হবে।
8■◆ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি, মানবিকতাবোধ, অনুসন্ধিৎসু ও সংস্কারমূলক মনভাবের প্রসার সাধন করতে হবে।
9■◆ জাতীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে ও হিংসার পথ পরিহার করতে হবে।
10■◆ সকল ক্ষেত্রে জাতীয় উন্নতি উৎকর্ষ এবং গতি বজায় রাখার উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত ও সমষ্টি কাজে চরম উৎকর্ষ জন্য সচেষ্ট হতে হবে।
11■◆ ছয় থেকে চৌদ্দ বছরের বয়সের প্রত্যেক শিশুকে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এটি পিতা মাতা ও অভিভাবকদের পালনীয় মৌলিক কর্তব্য।
এই গুলি ছিল সংবিধানের মৌলিক দায়িত্ব ।
তথ্য সূত্র ভারতীয় সংবিধান
এবার আসুন দেখে নি তার বদলে আমরা এখন কি কি করি।
1 ৸ সংবিধান! জানি ই না কি আছে সংবিধান এ🤣 । জাতীয় পতাকা 16 আগস্ট রাস্তায় পরে থাকতে দেখি,
2৸ যেকল মহান আদর্শ স্বাধীনতা আন্দোলন কে উদ্ভূত করেছিল তা আমরা ভুলে গেছি । না নেতাজির মত বিদ্রোহী না গান্ধীর মত শান্তিকামী না ক্ষুদিরাম এর মত সাহসী, এদের কাউকেই অনুসরণ করি না উল্টে এদের নিয়ে রাজনীতি করি।
3৸ সার্বভৌমত্ব ওটা আবার কি ওটা খায় না মাথায় মাখে।। আর সংহতি হাহা ঐটা আজকাল দেখা যায়না, ।। জয় শ্রী রাম বলে অন্য ধর্মের লোক কে পেটানো হয়। ওর ওটা দেখে আরেক ধর্মের লোক ফন্দি আটে চল আমরাও জেহাদ করি।ঐক্য রক্ষার বদলে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাই। জোর করে শুয়োরের মাংস খাওয়াই। কখন স্লোগান ওঠে “তোরা পাকিস্তান চলে যা” কিংবা কখন ওঠে মহারাষ্ট্র ছাড় বাংলা ছাড়।
4৸ দেশ রক্ষা টা ওই ফেসবুক পর্যন্ত আর বাইরে কাউকে । উল্টে রাস্তা ঘাট কে নোংরা করি, জল অপচয় করি, ঘুষ নি ঘুষ দি, ট্যাক্স ফাঁকি দি, ট্রেনে টিকিট কাটি না, জল দূষণ বায়ু দূষণ মাটি দূষণ আরো কত কি, আর তেল মালিশ করাই জাতীয় সেবা।
5৸ এটা একটু ভেঙে আলোচনা করি
ধর্ম- না এটার উর্ধে আজ ও উঠতে পারিনি । কে কত টা সহি হিন্দু সহি মুসলিম এই নিয়ে competion চলে, একদল বলে রাস্তায় নামাজ পড়বো আরেকদল বলে রাস্তায় হনুমান চল্লিশা পড়ব।। এ বলে গরু খাওয়া যাবে না। আর ও বলে বন্দে মাতরম বলা যাবে না।
ভাষাগত- এটা মাঝে মাঝে সমস্যা দেখায় হিন্দি কে কেন্দ্র করে কখন তামিল ক্ষেপে কখন বাংলা , শুনছ আসামে নাকি বাংলা আর আসামি নিয়ে কি একটা ঝামেলা চলছে।
অঞ্চল – আমারা তো সব আঞ্চলিক কুকুর।। বিহারে গেলে বিহারী রাজ, বাংলায় বাংলা রাজ মহারাষ্ট্রে মারাঠা রাজ, আর তামিলনাড়ুতে তামিল রাজ।
শ্রেণী – এইটা আর আলোচনা করা লাগে?? ধোনি দরিদ্র , উঁচু নিচু ভেদাভেদ তো অহরহ চলছে।
অর্থাৎ আমরা ধর্মগত ,ভাষাগত, অঞ্চলগত, শ্রেণী গত উর্ধে উঠতেই পারিনি।
6৸ মিশ্র সংস্কৃত ও খুব একটা দেখিনা সবাই তো যে যার সংস্কৃতি নিয়ে ব্যস্ত, ।
7৸ বনভূমি কে কেটে ছোট করে দিয়েছি, (সুন্দরবন)
জলাশয় গুলো কে বুঝিয়ে বড় বড় মাকান বানিয়েছি, পশু সংরক্ষণ বলতে যেটা বুঝি তা হল কুকুর বাচাই গরু বাচাই বাঘ কে পিটাই,
8৸ এই টা একদম ই নেই তার বদলে রয়েছে গো মূত্র বিজ্ঞান, রাডার বিজ্ঞান, গণেশের হেড ট্রান্সপ্লান্ট (আমাদের প্রধানমন্ত্রী সয়ং মুখ দিয়ে বলেছেন) জ্যোতিষ শাস্ত্র, তাবিজ মাদুলি , কখন আলুতে গণেশ খুঁজে পাই , কখন বাঁশ গাছ থেকে জল পড়লে দৈব পানি হিসাবে গ্রহণ করি, এই গুলো সংস্কার এর বদলে আরো কুসংস্কার এর দিকে বেশি এগোই।
কোন কিছু অনুসন্ধান না করেই একটা ভুয়ো খবর নিয়ে মাতা মাতি করি। গুজব বেশি রটে,
9৸ জাতীয় সম্পত্তি রক্ষার বদলে ক্ষতি ই বেশি করি। হসপিটাল ভাঙচুর , স্কুল ভাঙচুর, কলেজ ভাঙচুর, মূর্তি ভাঙচুর, বাস ভাঙচুর, মানুষের মাথা ভাঙচুর ইত্যাদি।
10৸ এটা নিয়ে একটা sentence বলি । মন্দির বাহি বানায়েঙ্গে।
সুতরাং দেখা যায় যে ভারতীয় সংবিধান এ যেসব মৌলিক দায়িত্ব গুলো দিয়েছে সেই গুলো আমরা কেউ ই পালন করতে পারিনা । এইগুলো পালন করলে ভারত বর্ষ জাপান হয়ে যেত, আমরা যদি সত্যি দেশপ্রেমিক হয়ে থাকি তাহলে ভারতের সংবিধান এ দেওয়া এইসকল মৌলিক দায়িত্ব গুলো অবশ্যই পালন করা উচিত , কিন্ত তার বদলে সবাই যে যার পেছনে কাঠি করতে ব্যস্ত, আসলে আমরা সবাই সবার পিছনেতে সবার হাতেই কাঠি। আমরা আসলে দেশদ্রোহী।
তথ্যসূত্র – আমাদের চারপাশ
This is an example post, originally published as part of Blogging University. Enroll in one of our ten programs, and start your blog right.
You’re going to publish a post today. Don’t worry about how your blog looks. Don’t worry if you haven’t given it a name yet, or you’re feeling overwhelmed. Just click the “New Post” button, and tell us why you’re here.
Why do this?
The post can be short or long, a personal intro to your life or a bloggy mission statement, a manifesto for the future or a simple outline of your the types of things you hope to publish.
To help you get started, here are a few questions:
You’re not locked into any of this; one of the wonderful things about blogs is how they constantly evolve as we learn, grow, and interact with one another — but it’s good to know where and why you started, and articulating your goals may just give you a few other post ideas.
Can’t think how to get started? Just write the first thing that pops into your head. Anne Lamott, author of a book on writing we love, says that you need to give yourself permission to write a “crappy first draft”. Anne makes a great point — just start writing, and worry about editing it later.
When you’re ready to publish, give your post three to five tags that describe your blog’s focus — writing, photography, fiction, parenting, food, cars, movies, sports, whatever. These tags will help others who care about your topics find you in the Reader. Make sure one of the tags is “zerotohero,” so other new bloggers can find you, too.