ভারতে হিন্দুত্ববাদ ততদিন থাকবে যতদিন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ইসলামিক মৌলবাদ থাকবে।। কারন পাশ্ববর্তী দেশ গুলো তে ইসলামী মৌলবাদ অনেক বেশি এরা ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র বানাতে চাইছে।। অন্যদিকে ভারত একটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ , আর ধর্ম নিরপেক্ষ তার সুযোগ নেয় সব ধর্মের মৌলবাদ ই। স্বাধীনতা থেকে আজ পর্যন্ত কংগ্রেস এবং ধর্মনিরপেক্ষ বাদীরা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে কেবল এক জাতি কে কিছুটা তোষণ আবার কিছুটা অবহেলায় ফেলে রেখেছে, তারা হিন্দুত্ববাদ এর বিরুদ্ধে অনেক বেশি সোচ্চার হলেও ইসলামী মৌলবাদ এর দিক দিয়ে বরাবর ই চুপ থেকেছে আর তার ফলেই এক মৌলবাদ আটকাতে গিয়ে আরেক মৌলবাদ মাথা চড়া দেয় , তাই জন্যেই ভারতে কোনো কোনো সময় কোনো সংঘটন থেকে ভারতে শরিয়াহ আইন এর দাবি তোলে আবার হিন্দুত্ববাদ কে সরাসরি বিরোধ করতে গিয়ে সাধারণ যারা হিন্দু যারা হিন্দু ধর্মকে অন্ধ ভাবে মানে তারা আবার সেক্যুলার ও বামপন্থী দের চক্ষুশূল হয়ে পড়েছে যার ফলে RSS এর মত মৌলিবাদী সংগঠন মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে, একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন যখন ই ভারতে ইসলামী তোষণ কিংবা ইসলামী জঙ্গিবাদ বেড়েছে তখন ই শিবসেনা rss দলের পুনরায় উত্থান হয়েছে।। এই ডান পন্থী উত্থান শুধু ভারতে নয় ইউরোপ আমেরিকায় ও উত্থান হয়েছে এতদিন ধরে এই সকল পশ্চিমা রা মানবতার নামে নিজেদের দেশে ইসলামী মৌলবাদ কে বৃদ্ধি করে ফেলেছে যার ফলে এই সকল মানুষ বুঝতে পেরে তারাও এখন ডানপন্থী সরকারের দিকে ঝুঁকছে। এইগুলো কিন্ত একদিনে হয়নি।। এইগুলা আসলে সেক্যুলার ও ব্যাম্পন্থার এক প্রকার তোষণ ও অতিরিক্ত উদার্নীতির কারণে হয়েছে, 47 এ যখন ভারত পাকিস্তান ভাগ হয়েছিল তখন কলকাতা কে ভাগ পাকিস্তানের দখলে নেওয়ার জন্য এই অঞ্চলের মুসলিম রা হিন্দু দের নির্বিচারে হত্যা ধর্ষন চালিয়েছিল আর এই হত্যা কে ঠেকানোর জন্য গোপাল পাঠা নামক এক হিন্দু কসাই এর উদ্ভব হয়, সে ও তার দল একই ভাবে মুসলিম দের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ , লুটপাট করা শুরু করেছিল এবং কলকাতা কে পাকিস্তানের হাত থেকে বাঁচিয়ে ছিল, না হলে আজ হয়ত কলকাতা বাংলাদেশ এর হয়ে থাকত।। তবে তাই বলে গোপাল পাঠা কে hero বলতে পারিনা আবার পুরোপুরি ঘৃণা ও করতে পারিনা কারন এদের উদ্ভব সেই সময়ের পরিস্থিতির উপর। তাই ভারতে পূর্ন সেক্যুলার আনতে গেলে সমস্ত ধর্ম কে তার ধর্মীয় উপাসনা লয়ে বন্দি রেখে সকল মানুষকে সমান ভাবে উন্নতি করতে হবে, আর পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র গুলির দিকেও নজর রাখতে হইবে যে তারা যেন ভারতে ঢুকে নাশকতা না করতে পারে। উপরন্ত পাশের দেশ গুলি থেকেও ধর্ম কে ধর্মীয় উপাসনালয়ে আটকে রাখতে হবে। নাহলে ভারতেও হিন্দুত্ববাদ পর্যক্রমে আসতে থাকবে, যে বা যারা মনে করে ভারতে হিন্দুত্ববাদ কে ঠেকালেই সব সমস্যা মিটবে তাদের বলে রাখি আপনার বাড়ির বাম পাশে আর ডান পাশে যদি আগুন লাগে তাহলে সেই দুইপাশের আগুন তোমার বাড়িকেও পুড়িয়ে দেবে । ভারতের সেক্যুলারিজম নির্ভর করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এর সেক্যুলারিজম এর উপর। সমস্ত ধর্মের নিপাত চাই, মুসলিমএর বাচ্চা হিন্দুর বাচ্চা এমনকি ধর্মে অবিশ্বাসী র বাচ্চা ও যেন ভরা পেটেই রাতে ঘুমোতে পারে।

Leave a comment